করোনাভাইরাসের অন্ধকার থেকে দেশকে আলোর পথে নিয়ে যেতে চান বলে দাবি করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই উদ্দেশেই আজ, ৫ এপ্রিল রাত নটায় ঘরের আলো নিভিয়ে মোমবাতি জ্বালানোর ডাক দিয়েছিলেন তিনি। রবিবার রাতে অবশ্য মোমবাতি, প্রদীপের চেয়ে বড় হয়ে উঠল শব্দবাজির আওয়াজ। রাজভবন থেকে কলকাতার আবাসন, সব জায়গাতেই জ্বলল প্রদীপ। কিন্তু শব্দবাজি কেন? প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।
Thank you for your efforts to further togetherness across India, @radiocityindia. #9pm9minute https://t.co/k3fvTi45LZ
— Narendra Modi (@narendramodi) April 5, 2020
পরিবেশবিদদের মতে, গত কদিন গোটা দেশজুড়েই লকডাউনের ফলে যে দূষণহীন পরিবেশ ফিরে পাওয়া গিয়েছিল, এক রাতের এই বাজির ছ্বটায় তা শেষ হয়ে যেতে পারে।
শুক্রবার সকাল ৯টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়ায় ভিডিয়ো বার্তায় এই আবেদন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। রবিবার সকালে সেই কথা পুনরায় মনে করিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। ট্যুইটে লিখেছিলেন, ‘রাত ৯টা-৯ মিনিট। মনোবল বাড়াতে পারস্পরিক সৌদার্য্য ছড়িয়ে দিন।’ একই কথা লিখেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। বাস্তবে গোটা দেশেই এই চিত্র ধরা পড়ল, শব্দদূষণের তোয়াক্কা না করে চকলেট বোমার আওয়াজে মুখরিত হল চারিদিক।
শুক্রবার মোদী বলেছিলেন, ‘রবিবার দয়া করে বাড়ির আলো বন্ধ রাখুন। মোমবাতি জ্বালান। ৯ মিনিট ধরে বাড়ির ব্যালকনি থেকে টর্চ বা মোবাইলের আলো জ্বালান।’ মোমবাতি জ্বালানোর সময় সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং বজায় রাখার কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি।
A ray of hope and belief can brighten the darkest times.
On PM @narendramodi ji’s clarion call, have switched off the lights at my home and lit diyas.
India stands firmly with PM @narendramodi in this fight against COVID-19. #9pm9minute pic.twitter.com/I0bazNXaiN
— Amit Shah (@AmitShah) April 5, 2020
বলেছেন, ‘করোনাভাইরাসের শৃঙ্খল ভেঙে বেরনোর একটাই উপায়, সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং মেনে চলা। আপনাদের কাছে আরও একটি প্রার্থনা আছে। এই ইভেন্ট চলাকালীন জটলা করবেন না। প্রত্যেকে নিজের বাড়ির দরজায়, জানলায় বা ব্যালকনিতে দ্বীপ জ্বালাবেন। সোশ্যাল ডিসট্যানসিং-এর লক্ষ্মণরেখা মেনে চলবেন।’ কিন্তু সেই লক্ষণরেখা কি বজায় রইল, প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই।