আমার সকাল: নোবেল জয়ীর সেরা কাজের অধিকাংশই ভারতকে নিয়ে! বীরভূমের গরমকেও হার মানিয়ে ছিলেন অভিজিৎ পত্নী এস্থার দুফলো

   পল্লব ঘোষ

বিশ্ব-দারিদ্রের মোচনে পরীক্ষামূলক অর্থনীতি চর্চা’য় বিরাট অবদানের জন্য অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় ও মাইকেল ক্রেমার-এর সঙ্গে যৌথ ভাবে অর্থনীতিতে ২০১৯ সালের নোবেল পুরস্কার পেলেন এস্থার দুফলো। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি-র (এমআইটি) অধ্যাপক এস্থার ফ্রান্সের মেয়ে, গত দু’দশকের বেশি আমেরিকাবাসী।

আরো পড়ুন:  ৮৩-তে জেলে যাওয়া অর্থনীতির ছাত্র অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় ৩৬ বছর পর নোবেল জিতলেন

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি নোবেল জয়ী অভিজিত বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী।৪৬ বছর বয়সি এস্থার দুফলো অর্থনীতিতে সর্বকনিষ্ঠ নোবেলজয়ী।বহু পুরস্কার, সম্মানের প্রাপক ছোটখাটো মেয়েটিকে ঘনিষ্ঠরা যতটা সম্মান করেন ক্ষুরধার মেধার জন্য, ততটাই ফিল্ড রিসার্চে অসামান্য কৃতিত্বের জন্য। তথ্য-পরিসংখ্যান সংগ্রহে যেমন তাঁর নিষ্ঠা, তেমনই পরিশ্রম করার ক্ষমতা।

 ্আরো পড়ুন: অভিনন্দন জানাতে মোদি সময় নিলেন চার ঘন্টা।

তেইশ বছর বয়সে এস্থার আসেন বীরভূমে কাজ করতে, পঞ্চায়েত নিয়ে। প্রবল গরমে দিব্যি থাকতেন ছাপোষা লজের নোংরা চাদর-পাতা বিছানায়। বাংলা বোঝেন না, তবু প্রতিটা প্রশ্নোত্তর শুনতেন উৎসুক হয়ে। যেমন তাঁর নেতৃত্বের দক্ষতা, তেমনই পরিশ্রমক্ষমতা। ‘আমাকে মুগ্ধ করে এস্থারের সততা,’ বললেন অর্থনীতিবিদ রাঘবেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, এস্থারের সহ-লেখক।

‘যখনই ওঁর সন্দেহ হয়েছে যে তথ্যে জল মিশেছে, তা বাতিল করতে দ্বিধা করেননি। টাকা নষ্ট হয়েছে। তবুও না।’ বীরভূম ও উদয়পুরের পঞ্চায়েতে মহিলা প্রধানদের সিদ্ধান্ত-ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করেন এস্থার-রাঘবেন্দ্র, রান্ডমাইজ়ড কন্ট্রোল ট্রায়াল প্রতিষ্ঠায় যা একটি দিকনির্ণায়ক কাজ। এস্থারের কাজ জগৎ জুড়ে, কিন্তু সেরা কাজের অধিকাংশই ভারতকে নিয়ে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন