নিজস্ব প্রতিনিধি : তোমাদের নেতা বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। বিহেভ লাইক দ্যাট। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিক্ষোভ মুখে ছাত্রছাত্রীদের বললেন বাবুল সুপ্রিয়। তারই পাল্টা এক ছাত্র বললেন, ”এই ঘটনায় এসএফআইয়ের কোনও যোগ নেই, আমি নকশাল”।
অন্যদিকে এই বিক্ষোভে এসএফআইয়ের ছাত্রছাত্রীরা নেই বলে দাবি করেছেন সংগঠনের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ময়ূখ বিশ্বাস। এদিকে ছাত্রছাত্রীরা অভিযোগ করে বলেন, কন্দ্রীয় মন্ত্রীর নিরাপত্তারক্ষীরা বেশ কয়েকজনের উপরে লাঠিচার্জ করেছেন। এর ফলে একজন ছাত্রী জখম হয়েছেন।
এই পাল্টা বাবুল সুপ্রিয় বলেন, ”যদি আমার নিরাপত্তারক্ষীরা লাঠি চালাত তাহলে এদের ছেড়ে দিত? শিক্ষিত ছেলেরা আমর চুল ধরে টানছেন, আমাকে লাথি মারছে। সব ক্যামেরায় ধরা আছে। এখানে যদি দিদির পুলিস থাকত তাহলে গুলি চলত তখন।”
https://aamarsakal.com/2019/09/19/aamar-sokal-september-19-fire-wreckers-across-campus-governor-jaydeep-dhankhar-rescued-babul-from-gherao-calls-mamata/
নবীনবরণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে হেনস্থার শিকার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। ক্যাম্পাস জুড়ে ওঠে ‘গো ব্যাক স্লোগান’। মন্ত্রীর গায়ে হাত তোলার অভিযোগও উঠেছে পড়ুয়াদের একাংশের বিরুদ্ধে।
জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার এবিভিপি-র অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় এবং ফ্যাশন ডিজাইনার তথা বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। কিন্তু কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে পা দেওয়া মাত্রই উত্তেজনা ছড়ায়। মন্ত্রীকে দেখানো হয় কালো পতাকা। বিরোধী গোষ্ঠীর একদল পড়ুয়া তাঁকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। প্রথমে বাবুল সুপ্রিয়র নিরাপত্তারক্ষীর সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয় বাম ছাত্রদের৷ এরপর কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকেও ধাক্কা দেওয়ার এবং তাঁর জামা ছিঁড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে যাদবপুরের পড়ুয়াদের একাংশের বিরুদ্ধে৷
সূত্রের খবর, এদিনের ‘নবীনবরণ’ অনুষ্ঠানে কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে নয়, আমন্ত্রিত অতিথি হিসাবে এসেছিলেন বাবুল সুপ্রিয়৷ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি ঘোষণার দাবিতে শিক্ষক সংগঠন জুটার তরফে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কাছে একটি আবেদন পত্র জমা দেওয়ারও পরিকল্পনা ছিল৷