নিজস্ব প্রতিনিধি: বজ্রপাতে ২৪ ঘন্টার মধ্যে রাজ্যে বলি ১৫ জনের।এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনাটি ঘটেছে পুরুলিয়াতে। সেখানে মারা গিয়েছেন ৮ জন। ঝাড়গ্রামে বাজ পড়ে মৃত্যু হয়েছে ৩ জনের। রবিবার দিঘার উদয়পুরে বিচে বাজ পড়ে গুরুতর জখম হন কলকাতার দুই পর্যটক৷ তাদের মধ্যে একজন মারা গিয়েছেন৷ আরেকজন গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে চিকিত্সাধীন৷ রবিবার রাতে পুরুলিয়ায় বজ্র-বিদ্যুত্সহ ব্যাপক বৃষ্টির সময় পরপর বাজ পড়ে বেশ কিছু জায়গায়। সাঁওতালডিহি ও পুরুলিয়া থানা এলাকায় আরও দুজনের মৃত্যু হয় বাজ পড়ে৷ দুই মহিলা-সহ ৩ জন ও পারা থানা এলাকায় দুজনের মৃত্যু হয়৷ অন্যদিকে দক্ষিণ চব্বিশ পরগণায় বাজ পড়ে মৃত্যু হয়েছে ৪জনের। চাষের জমিতে কাজ করার সময় বাজ পড়ে নিহত হয়েছেন বাবা ও ছেলে। মৃত্যু হয়েছে আর এক যুবকের।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সোমবার দুপুরে আচমকাই বাজ পড়তে শুরু করে গোসাবা ব্লকের সুন্দরবন কোস্টাল থানার অন্তর্গত সাতজেলিয়া গ্রামে। সে সময় ধান জমিতে কাজ করছিলেন শ্রীবাস মৃধা এবং তাঁর ছেলে হরিপদ। আচমকা বাজ পড়ায় ঘটনাস্থলেই মারা যান বাবা এবং ছেলে। অন্যদিকে সাতজেলিয়ার পরশমনি এলাকায় বাজ পড়ে মৃত্যু হয়েছে কপিল মণ্ডল নামে এক যুবকের। পুলিশ জানিয়েছে, তিনিও চাষের জমিতেই কাজ করছিলেন। ফাঁকা এলাকায় আচমকা বাজ পড়ায় ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় তাঁর।পুলিশ সূত্রে আরো জানা গিয়েছে, বাজ পড়ে মৃত্যু হয়েছে আসমা খাতুন নামে বছর ১৪-র এক কিশোরীর। জানা গিয়েছে, সাগর-এর বাসিন্দা এই কিশোরী।
সোমবার বিকেলে বেলিয়াবেড়া থানা এলাকায় বাজ পড়ে মৃত্যু হল এক পুরুষ ও এক মহিলার। অন্যদিকে বাজ পড়ে লালগড় থানা এলাকায় মৃত্যু হয়েছে এক মহিলার। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে এদিন বিকেলে বেলিয়াবেড়া থানার পুলিশ গোপীবল্লভপুর দুই ব্লকের বিডিও অফিসের পিছনে সোনাপড়া নামক একটি পাড়ার ইটভাটা লাগোয়া একটি জঙ্গল থেকে একজন পুরুষ এবং এক মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে তাদের নাম জতীন সিং(৩৩) এবং কুনকি সিং (২৫)।এদের বাড়ি বেলিয়াবেড়া থানার বনকাটি এবং সোনাপড়া এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে এদের দুজনের মধ্যে একটি সম্পর্ক ছিল।তারা প্রায়ই এই জঙ্গলে দেখা করতে আসত।এদিন বিকেলেও তারা দেখা করতে এসেছিল। পুলিশ জানিয়েছে বাজ পড়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে।