করোনা-কালে বৈশাখী ঝড়, ৩ দিন রাজ্যজুড়ে চলবে ঝড়-বৃষ্টি ।

ক’দিনের কাঠফাটা রোদ আর পাল্লা দিয়ে বাড়া গরমের হাত থেকে মিলল সাময়িক মুক্তি। গত কয়েকদিন ধরেই তাপমাত্রার পারদ ছিল ঊর্ধ্বমুখী। সেই তীব্র দাবদাহ থেকে একটুখানি স্বস্তি ফিরিয়ে দিয়েছিল ঝড়। মঙ্গলবার সকাল থেকেই দিনের আলো উধাও। চারদিকে শুধু মেঘ-কালো অন্ধকার। সৌজন্যে, বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টি। মাঝে একদিনের ফারাকে আবার কালবৈশাখী পেল কলকাতা। সোমবার সন্ধ্যায় ঘণ্টায় ৫৬ কিলোমিটার বেগে কালবৈশাখী আছড়ে পড়ে আলিপুরে। সোমবার রাত ৯টা ৫ মিনিটে আলিপুরে ঝড়ের সর্বোচ্চ গতিবেগ ওঠে ঘণ্টায় ৪৬ কিলোমিটারে।

১৫০ কিমি পায়ে হেঁটে বাড়ির পথে কিশোরী, কিন্তু আর ফেরা হলো না ।

কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই শুরু হয়েছে বৃষ্টি। সঙ্গে দমকা ঝোড়ো হাওয়া। এ দিন বৃষ্টি শুরু হয়েছে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভিন্ন এলাকায়। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, শুক্রবার পর্যন্ত ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিহার লাগোয়া উত্তরপ্রদেশের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত আবস্থান করছে। একই রয়েছে একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখাও। তার ফলে বঙ্গোপসাগর থেকে বিপুল পরিমাণে জলীয় বাষ্প ঢুকছে স্থলভাগে। তাই বজ্রগর্ভ মেঘ সঞ্চারের পরিস্থিতি অনুকূল থাকবে। দমকা বাতাস, বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাতের জোর সম্ভাবনা।
বিশেষ করে মঙ্গলবার ঝড় ও বৃষ্টির পরিমাণ বেশি হতে পারে। ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বইবে ঝোড়ো হওয়া। বিক্ষিপ্তভাবে কোথাও কালবৈশাখীর পূর্বাভাসও রয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হবে বিক্ষিপ্তভাবে দু’এক জায়গায়। মঙ্গল থেকে বৃহস্পতি- এই তিনদিন ঝড়ের গতিবেগ বাড়তে পারে। এর সঙ্গে ভারী বৃষ্টি হওয়ারও পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। বৃষ্টির পরিমাণ হতে পারে ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার পর্যন্ত।
গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি হলেও উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলা- দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া দক্ষিণবঙ্গের বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরেও ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন